Friday, January 22, 2010

Dream Girl Rituporna : যৌনদেবী ঋতুপর্না










Rituparana Sengupa পশ্চিম বাংলা এ সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা। নিশ্চয়ই ভুলে যাননি 'পরামিতার একদিন' ছবিতে ঋতুপর্ণার সেই দূর্দান্ত অভিনয়। বেশকিছু হিন্দি ছবিতে অভিনয় করা ঋতুপর্না একসময় এফডিসি কাপিয়ে বেড়িয়েছেন। ঋতুপর্নার জন্ম ৭ই নভেম্বর ১৯৭১ এ কলিকাতায়। সেখানেই লেখাপড়া এবং পরে কলিকাতা ইউনিভাসিটি থেকে Modern History এর উপর মাস্টার্স করেন। ঋতুপর্নার অভিনয় জীবন শুরু ১৯৯৫ সালে একটি ছবিতে সহ-অভিনেত্রীর চরিত্রে। কিন্তু খুব কম সময়েই পরিচালকদের দৃষ্টি আকৃষ্ট করতে সক্ষম হন। ফলশ্রুতিতে পরামিতার একদিন, মন্দমেয়ের উপাখ্যান, দহন প্রভৃতি হিট বইয়ের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেন। একসময় ঋতুপর্না প্রচুর বাংলাদেশি চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের তদানিন্তন প্রায় সব নায়কের বিপরীতই তার অভিনীত ছবি গুলো বেশ ব্যবসা সফল ছিল।
তবে ঋতুপর্নার বিরুদ্ধে বেশ কিছু সমালোচনাও শোনা যায়। বিশেষত বাংলাদেশে চলচিত্রে অশ্লীনতার জন্য অনেকেই তাকে দুষেন। বিশেষত ধর্ষণ, পানিতে গোসল প্রভৃতি যৌন উত্তেজন দৃশ্যে অভিনয় করে ঋতুপর্ণা তখন বেশ সমালোচনা কুড়িয়েছেন।
তবে এটা যদিও ঠিক ঋতুপর্ণা বেশকিছু খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করেছেন, তবে তা হয়তো করেছেন চরিত্রের প্রয়োজনেই আর পরিচালকের নির্দেশে। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে ঋতুপর্না যে একজন সত্যিকার অভিনেত্রী তা তিনি বহু ছবিতে প্রমান করেছেন।

Friday, January 15, 2010

Biography of Farhana Nisho : #1 News Presenter in Bangladesh




Farhana Nisho বর্তমান সময়ে তারুণ্যের ক্রেজ
। ফারহানা নিশো এখন শুধু একজন সংবাদ পাঠিকাই নন, একই সাথে অভিনেত্রী, মডেল তথা মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে নিশোর ভালবাসার স্থানে রয়েছে সংবাদ পাঠ। সংবাদ উপস্থাপনাকেই ফারহানা নিশো মনে করেন তার আত্বীক খাবার। আর এটার শুরু কিন্তু খুব ছোট বেলা থেকেই। নিশোর পিতা ছিলেন একজন নিয়মিত সংবাদ শ্রোতা। তখনতো আর এত চ্যানেল ছিলনা, শুধু ছিল বিটিভি। যাহোক নিশোর আব্বা শুধু চিন্তা করতেন তার মেয়েও একদিন এরূপ সংবাদ পাঠিকা হবে। তখন একজন পাঠিকা নাম ছিল ফারহানা। তার নামেই নিশোর নামকরণ করা হয় ফারহানা নিশো। ছোট বেলা থেকেই বাবার স্বপ্ন বুকে লালন করতেন নিশো। যাহোক ১৯৯০ সালে চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ার সময় টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় চলে আসেন নিশোর ফ্যামিলি। ভর্তি হন আইডিয়াল স্কুলে। পড়াশুনার পাশাপাশি সংস্কৃতিক চর্চাও করতে থাকেন। তবে নিশো সবসময়ই পড়াশুনা কে প্রাধান্য দিয়েছেল। ২০০৫ সালে বুয়েট থেকে আরবান ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে পাশ করে নর্থ সাউথ খেকে এমবিএ (মার্কেটিং) ডিগ্রি লাভ করেন ২০০৮ সালে। তবে তার সংবাদ উপস্থাপনা শুরু হয় ২০০২ সালে এনটিভিতে। নিশো বলেন, তার অনুভুতির কথা। সেদিন বাবা হাফ বেলা ছুটি নিয়ে বাসায় এসেছিলেন মেয়ের সংবাদ উপস্থাপনা দেখার জন্য। সার্থক হয়েছিল তার আজন্ম লালিত স্বপ্ন।
সংবাদ উপস্থাপনাকে বহুমাত্রি মনে করেন নিশো
। আর খেয়াল রাখতে হয়ে অনেক দিকে। একটি ঘটনা সে প্রসঙ্গে বললেন, ২১ শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার কথা। সেদিন নিশো পড়েছিলেন কালো শাড়ি সাথে লাল পাড়। তো এক দর্শক অভিযোগ করলো কেন এই শোকের দিনে শুধু কালো ড্রেস পড়া হলো না। এমনি অনেক খুটিনাটি বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। তবে নিশো খুশি যে তাকে কোন নেতিবাচক পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হয়নি। ২০০৬ সালে চ্যানেল ওয়ানে যোগদানের পর থেকে এখনও সেখানেই আছেন। অনেক দর্শকই পাওয়া যাবে যারা শুধু ফারহানা নিশো-কে দেখার জন্যই চ্যানেল টিউন করেন।

Friday, January 8, 2010

Nowshin : RJ is now a busy TV presenter


নওশীনের ক্যারিয়ারের উত্থানটা বেশ চমকপ্রদ। অনেকটা শখের বসেই রেডিওতে RJ হয়েছিলেন। অপূর্ব ও ব্যতিক্রমধর্মী কন্ঠের জন্য শ্রোতারা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নওশীনকে আপন করে নেয়। এরপর প্রস্তাব আসে RTV তে 'জেগে আছো কি?' অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করার। ব্যাস আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। Nowshin এর মতে অনুষ্ঠানটি তার ক্যারিয়ারের জন্য টার্নিং পয়েন্ট। এটা তাকে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয় করে তোলে। সেই সাথে যে সব রেডিও শ্রোতা শুধুই নওশীনের কন্ঠের যাদুতে মুগ্ধ ছিল, তারা এবার সশরীরে টিভিতে নওশীনকে উপস্থাপনায় পেয়ে ধন্য হলো। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। নওশিন এখন তারুন্যের ক্রেজ। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপনে নওশিন অভিনয় করেছেন। যার মধ্যে আছে ঈদের নাটক, প্রাণের বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। নওশীনের সামনে এখন রেডিওর মাক্রোফোন ছাড়াও বিস্তর কাজ।