Showing posts with label Geography. Show all posts
Showing posts with label Geography. Show all posts
Sunday, April 18, 2010
Europe's sky darken by the eruption of Iceland's volcano
আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুতপাতে সমগ্র উত্তর ইউরোপের আকাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে আছে। অগ্ন্যুপাতের সাথে উৎগিরন হওয়া কাচ ও রাসায়নিকের কারণে বিমান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে সমগ্র ইউরোপেই এক স্থবির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিমান চলাচল বন্ধের কারণে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াও সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।
আইসল্যান্ডের যে আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুতপাত হচ্ছে তার নাম হচ্ছে Eyjafjallajökull. এটি আইসল্যান্ডের দক্ষিণে প্রায় ১০০ বর্গ কিমি জুড়ে অবস্থিত। উচ্চতা হচ্ছে ১,৬৬৬ মিটার (৫,৪৬৬ ফুট)। বিজ্ঞানীরা ২০০৯ সাল থেকেই ধারণা করছিলেন যে Eyjafjallajökull অগ্ন্যুতপাত ঘটাতে পারে। কারণ তখন থেকেই আগ্নেয়গিরি ও তৎসংলগ্ন প্রায় ১০ কিমি অঞ্চলে স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প অনূভূত হচ্ছিল, যা কিনা অগ্ন্যুৎপাতের একটি অন্যতম প্রধান পূর্বাভাস। সর্বশেষ গত ৩-৫ মার্চের মধ্যে প্রায় ৩,০০০ ভূমিকম্পের রেকর্ড করা হয়, যা কিনা নিশ্চিত করে অগ্ন্যুৎপাত সময়ের ব্যাপার মাত্র। অবশেষে ২০শে মার্চ প্রথম অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। সাময়িক বন্ধে পর গত ১৪ই এপ্রিল অগ্ন্যুৎপাত আরও ভয়াবহ আকারে শুরু হয় একটি হিমবাহের মধ্যবর্তী অংশে; ফলে প্রচুর স্টিম এবং পানি নির্গত হচ্ছে।
Tuesday, May 12, 2009
Galapagos Island
আমাদের চারপাশের প্রকৃতি কত রহস্যময়। বস্তুত, সাধারণ মানুষ হিসেবে তার কতটুকুই বা আমরা জানি! তেমনি একটি প্রাকৃতিক বিষ্ময় হচ্ছে Galapagos দ্বীপ । নামটি হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন এর গ্রন্থ 'দি ভয়েজ অব দি বিউগল' এই দ্বীপের প্রেক্ষাপটেই তৈরি হয়েছিল। যাহোক, গালাপাগোস একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ যা ৯৭৩ কিমি পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। নিরক্ষ রেখায় অবস্থিত এই দ্বীপটির ভৌগলিক অবস্থান হচ্ছে 1°40'N-1°36'S, 89°16'-92°01'W. রাজনৈতিক ভাবে এটি ইকুয়েডর রাস্ট্রের সাথে সংযুক্ত। ১৩টি প্রধান দ্বীপ এবং অসংখ্য ছোট ছোট দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত গালাপাগোসের আয়তন ৭৮৮০ বর্গ কিমি (৩০৪২ বর্গ মাইল)। দ্বীপটি আবিস্কৃত হয় পানামার বিশপ Faryগালাপাগোস দ্বীপটি বহু কারণে বিখ্যাত। একে বলা হয় Tomas de Berlanga এর হাতে ১৫৩৫ সালে।
প্রকৃতির উন্মুক্ত ল্যাবরেটরী। শীতল হামবোল্ট সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হওয়ার কারণে নিরক্ষরেখায় অবস্থান সত্ত্বেও এখানে সীল মাছ সহ এমন
প্রানীদের দেখা যায় যা এক কথায় অভুতপূর্ব। এখানেই শেষ নয়, গালাপাগোস সুবিখ্যাত তার ল্যান্ড এবং মেরিন ইগুয়ানার জন্য। ইগুয়ানা এক প্রকার সরিসৃপ যা অনেকটা আমাদের দেশের গুইসাপের সাথে তুলনা চলে। দ্বীপের আরও বড় একটি আকর্ষণ হচ্ছে 'গালাপাগোস পেঙ্গুইন'। আমরা জানি পেঙ্গুইন হচ্ছে শীতল আবহাওয়ার প্রাণী, খুব ঠান্ডা না হলে এদের দেখা যায় না। যেহেতু গালাপাগোসের চারিপাশের সমুদ্রে শীতল স্রোত প্রবাহিত তাই এখানে পেঙ্গুইনদের দেখা মিলে। এমনি আর পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি দেখা যায় না।_-Espanola_-Punta_Suarez3.jpg)

গালাপাগোস সম্পর্কে লিখতে গেলে আসলে একটি বই হয়ে যাবে। তবুও খু্বই সংক্ষিপ্ত ভাবে এখানে এর পরিচিতি তুলে ধরা হলো। পাঠকের যদি আরও জিজ্ঞাসা থাকে তবে ইমেইলে অথবা কমেন্টস লিখে জানাতে পারেন। আর যদি কখনো সুযোগ হয় অবশ্যই ঘুরে আসতে ভুলবেন না।
Subscribe to:
Posts (Atom)